কাঠুয়া ধর্ষণ কান্ড: রায়ে সন্তষ্ট নয় মানবাধিকার সংগঠনগুলো, উচ্চ আদালতে যাচ্ছে নারী সুরক্ষা কমিশন

কাঠুয়া ধর্ষণ কান্ড: রায়ে সন্তষ্ট নয় মানবাধিকার সংগঠনগুলো, উচ্চ আদালতে যাচ্ছে নারী সুরক্ষা কমিশন
কাঠুয়া ধর্ষণ কান্ড: রায়ে সন্তষ্ট নয় মানবাধিকার সংগঠনগুলো, উচ্চ আদালতে যাচ্ছে নারী সুরক্ষা কমিশন

পিপিএন বাংলা, নিউজ ডেস্ক: এই ঘৃণ্য অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন কারাবাস সঠিক সাজা নয়। কাশ্মীরের কাঠুয়ায়  ৮ বছর বয়সী শিশু আসিফা বানুর গণধর্ষণ ও হত্যার দোষী সাব্যস্তদের মৃত্যুদণ্ডের আর্জি জানালেন জাতীয় মহিলা সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান রেখা শর্মা।  তাঁর সঙ্গেই গলা মেলাল বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলিও।  দাবি, মৃত্যুদণ্ডের জন্য উচ্চতর আদালতে যাক জম্মু-কাশ্মীর সরকার।

সোমবার সকালেই কাঠুয়া কাণ্ডের রায় দেয় পাঠানকোটের বিশেষ আদালত।  ১৭ মাস ধরে চলা মামলার রায়ে আদালত জানায়, শিশু ধর্ষণ ও খুনে অভিযুক্ত ৮ জনের মধ্যে ৬ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা হয়েছে অন্য ৩ জন দোষীর ৫ বছর।

আদালতের রায়ে, সঞ্ঝী রাম, প্রবেশ কুমার এবং দীপক খাজুরিয়ার বিরুদ্ধে আরপিসি-র (Ranbir Penal Code) ৩৬৩ (অপহরণ), ৩০২ (খুন), ৩৭৬ডি (গণধর্ষণ) এবং ১২০বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র)——এই চারটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। বাকি তিন দোষী সুরেন্দ্র ভার্মা, আনন্দ দত্ত এবং তিলক রাজের বিরুদ্ধে আরপিসি-র ( Ranbir Penal Code) ২০১ ধারায় (তথ্যপ্রমাণ লোপাট এবং মিথ্যে তথ্য প্রদান) অভিযোগ আনা হয়েছে।

কাঠুয়া ধর্ষণ কাণ্ডের রায়ের পরই কার্যত দু’ভাগে ভাগ হয় আমজনতা। টুইটার, ফেসবুকে অনেক ভিউয়াররাই লেখেন যাবজ্জীবন নয়, বরং ফাঁসির সাজা চাই দোষীদের। একই দাবিতে সরব হয় বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলিও। জেএনইউ-এর ছাত্র সংগঠনের তরফে শেহলা রশিদ বলেন, “উচ্চ আদালতে দোষীদের আরও কঠোরতম শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।” আদালতের রায় ঘোষণার পরেই টুইট করে নিজের মতামতা জানান জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি। টুইটে তিনি লেখেন, “কাঠুয়ার ঘটনার মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে রাজনীতি বন্ধ হোক। আট বছরের শিশুকে যে অপরাধীরা ধর্ষণ, খুন করে রক্তাক্ত ফেলে গিয়েছিল তাদের যোগ্য শাস্তি হয়েছে। ” এবং ন্যাশনাল কনফারেন্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওমর আবদুল্লার কথায়, “এতদিনে যোগ্য শাস্তি হলো। যে সব রাজনৈতিক নেতা ও সংগঠন অভিযুক্তদের পক্ষে দাঁড়িয়েছিল তাঁদের ধিক্কার।”

Comment

Please enter your comment!
Please enter your name here