নোংরা রাজনীতির শিকার! ডাঃ কাফিলের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি ওয়েলফেয়ার পার্টির

351

আব্দুল কাদির, পিপিএন বাংলা, চাঁচল: গত বছর ডিসেম্বর মাস থেকে ডাক্তার কাফিল খানকে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে জেলে বন্দি করে রেখেছে উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার। গত 15 জুলাই ২০২০ এলাহাবাদ হাইকোর্টে ডাক্তার কাফিল এর জামিনের আবেদনের শুনানির ‌ দিন ধার্য হয়। তার কয়েকদিন আগে থেকেই কাফিল খানের মুক্তির দাবিতে তোলপাড় টুইটার সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া। ফেসবুক টুইটার সর্বত্র চলছে #ReleaseKafeelKhan এর ট্রেন্ড। কিন্তু ১৫ জুলাই জামিনের আবেদনের শুনানি করোনা ভাইরাসের কারণে পিছিয়ে দিয়ে 22 জুলাই দিন ধার্য করে হাইকোর্ট। আবার পরবর্তী শুনানি 27 জুলাই ধার্য হয়েছে।

ওয়েলফেয়ার পার্টির জেলা সম্পাদক লতিফুর রহমান বলেন – “তিনি গরীবদের ফ্রিতে চিকিৎসা করতেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে কথা বলতেন, অবহেলিত নিপীড়িত মানুষদের পাশে দাঁড়াতেন সবথেকে বড় কথা তিনি মুসলিম বলেই জেলে রয়েছেন।”

ডা:কাফিল খানের মুক্তির দাবিতে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থানার ঘেরা মোরে ওয়েলফেয়ার পার্টির বিক্ষোভ কর্মসূচি। উপস্থিত ছিলেন পার্টির জেলা সভাপতি কাজী আব্দুর রেজ্জাক, সহ সভাপতি মাস্টার শাহজাহান এলাম ও জেলা সম্পাদক লতিফুর রহমান সহ অন্যান্য নেতৃত্বে বৃন্দ।

কিছুদিন আগে ডাক্তার কাফিল জেল থেকে যে চিঠি লিখেছিলেন তার বিবরণ – “জেলে তাকে খুবই অত্যাচার করা হচ্ছে৷ জানি না কেন আমাকে শাস্তি পেতে হচ্ছে? আমি কখন আমার সন্তানদের, আমার স্ত্রী, আমার মা এবং আমার ভাই এবং বোনকে দেখতে পাব? করোনাভাইরাসের মারাত্মক লড়াইয়ের ক্ষেত্রে আমি কখন ডাক্তার হিসাবে আমার দায়িত্ব পালন করতে পারবো? জেলে ৫০০ জন কয়েদীর ধারণক্ষমতা রয়েছে, সেখানে রাখা হয়েছে ১৬০০ জনকে৷ ফলে আরও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে৷ একটি টয়লেট ব্যবহার করছে ১২৫-১৫০ জন৷ প্রস্রাব ও ঘামের দুর্গন্ধ এবং বিদ্যুৎ না থাকলে গরমের ফলে অসহ্য হয়ে উঠেছে জীবন৷ কয়েক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর টয়লেটে ঢোকার পর আসে ঝাঁক ঝাঁক মশা, মাছি৷ এই পরিস্থিতি তার মতো ডাক্তারকে কখনও পড়তে হয়নি৷”

Comment

Please enter your comment!
Please enter your name here