কেক কেটে নয়, প্রতিবন্ধীদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করে জন্মদিন পালন তৃণমূল নেতার

114

মহম্মদ নাজিম আক্তার,মালদা,১৫ জানুয়ারি: রাজ্যে আবারও বেড়েছে শীতের দাপট। তাই শীতার্ত দুঃস্থ প্রতিবন্ধীদের শীত নিবারণের জন্য তাদের হাতে কম্বল তুলে দিলেন তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক বুলবুল খান। হরিশ্চন্দ্রপুর তৃণমূল ছাত্র এবং যুব সংগঠনের তরফ থেকে মালদা জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বুলবুল খানের জন্মদিন উপলক্ষে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের সোনাকুল স্কুল মাঠে দুঃস্থ মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন।

বিধানসভা নির্বাচন এখনও মাস কয়েক বাকি। নির্বাচনের আগে মালদা তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক পৌঁছে গেলেন দুঃস্থ ও প্রতিবন্ধীদের কাছে। হালচাল দেখলেন স্থানীয় মানুষদের। শুক্রবার সোনাকুল মাঠে শীতার্ত দুঃস্থ মানুষ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলো।এলাকায় এই কর্মসূচি করতে গিয়ে দেখা যায় যে সেখানে আরো এমন অনেক প্রতিবন্ধী আছে যাদের প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট নেই বা অনেকেই প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট থাকলেও ভাতা ঠিকঠাক পাননা।

এই সমস্ত মানুষ যাতে তাদের প্রাপ্য সুযোগ সুবিধা পান তার যথাযথ সুরাহার উদ্যোগ নেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন বুলবুল খান। তিনি ঐদিন প্রতিবন্ধীদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করে দেবেন যাতে করে মানুষদের হাসপাতাল যেতে কোনো অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয়। এবং সেখানে গিয়ে সবাই যাতে সর্টিফিকেট পেয়ে যায় সেই ব্যবস্থাও করবেন বলে জানিয়েছেন। তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক বুলবুল খান ঐদিন এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন‌। মানুষের সমস্যার কথা শোনেন।

করোনা আবহের সময় থেকেই ওনাকে বিভিন্ন সময় জাতি ধর্ম নির্বিশেষে দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে। কখনও গরিব মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করা থেকে শুরু করে বাচ্চা,বৃদ্ধ সকল বয়সের মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে বুলবুল খানকে। ঐদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর ১নং ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি ছাত্রনেতা বিমান ঝাঁ এবং প্রধান ও অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ।

কর্মসূচিতে আগত দূর্গাপুরের বাসিন্দা আলমগীর জানান,”এখানে প্রতিবন্ধিদের কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে শুনে এসেছিলাম। কম্বল পেয়েছি। আমার ছেলের হ্যান্ডিকেপ সার্টিফিকেট নেই সে কথা জানিয়েছি বুলবুল খান মহাশয়কে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন দু চারদিনের মধ্যে ব্যবস্থা করে দেবেন।”এই প্রসঙ্গে বুলবুল খান বলেন, “আজ আমরা সোনারকুল মাঠে এসছি। আজ আমার জন্মদিনে এই দুঃস্থ প্রতিবন্ধীদের মধ্যে কিছু কম্বল বিতরণ করলাম।”অনেকের হ্যান্ডিকেপ্ট সার্টিফিকেট নেই এই প্রসঙ্গে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, “এই অভিযোগ আমি শুনলাম।

আমার সঙ্গে বিরোধীনেতা ছিল, ভাইস প্রেসিডন্ট ওয়াসিম আছে। তার উপর দায়িত্ব দিয়েছি সবাইকে ঠিকঠাক হাসপাতাল পৌছে দেওয়ার এবং আমি গাড়ির ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এই সব জায়গায় না এলে এলাকাবাসীর কষ্টের কথা বুঝতেও পারতামনা।ঐদিন কর্মসূচিতে আসা মানুষদের সাথে কথা বলে জানা যায় তারা খুশি এই অনুষ্ঠানে। তারা জানান তাদের অসুবিধার কথা বুলবুল খান শুনেছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন তার সুরাহা করবেন বলে।

Comment

Please enter your comment!
Please enter your name here